বিশ্বজুড়ে হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা হার্ট সুরক্ষার জন্য নতুন করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ করণীয় তুলে ধরেছেন। সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দৈনন্দিন অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেই হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
নিয়মিত ব্যায়াম হার্টকে রাখে সচল-
চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা দৌড়ানো রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা উন্নত করে। এতে উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমে যায়।
সুষম খাবারে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে-
স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা জানান, সবুজ সবজি, মাছ, ফল, বাদাম ও আঁশযুক্ত খাবার হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অপরদিকে, অতিরিক্ত লবণ, ভাজা খাবার ও জাঙ্ক ফুড রক্তনালী সংকুচিত করে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ওজন স্বাভাবিক রাখা প্রয়োজন-
রিপোর্টে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ওজন থাকলে হৃদযন্ত্রকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তাই বিএমআই স্বাভাবিক রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ-
নতুন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ধূমপান রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ বাড়ায়। একইভাবে অতিরিক্ত অ্যালকোহলও হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করে।
স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি-
স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানসিক চাপ রক্তচাপ বাড়িয়ে সরাসরি হার্টের ওপর প্রভাব ফেলে। নিয়মিত মেডিটেশন, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক-
বিশেষজ্ঞদের দাবি, রক্তচাপ, রক্তে কোলেস্টেরল এবং সুগারের মাত্রা ঠিক আছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করলে হৃদরোগ অনেকটাই প্রতিরোধ করা যায়।
পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ-
প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম হৃদযন্ত্রকে পুনরায় সতেজ করে তোলে। ঘুম কম হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
প্রচুর পানি পান হার্টকে রাখে স্বাভাবিক-
স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত পানি পান করলে রক্ত তরল থাকে এবং হার্টকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
