যুব জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী, গর্ভে থাকা সন্তানকেও হত্যা

অবশ্যই পরুন

পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার রাতে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে ২২ জুলাই ভুক্তভোগী নারী পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় শহিদুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

আদালতের বিচারক শিরিন নিলা মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে পটুয়াখালী শহরে নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়েছেন এবং থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্যদিকে পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন হওয়ায় তিনি এ নিয়ে মন্তব্য করতে চান না। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, আদালতের আদেশের কপি এখনো হাতে পৌঁছেনি। কপি পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এস

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ