ষাটোর্ধ্ব ফেরদৌস মামুনের একমাত্র যোগ্যতা তার বাড়ির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গ্রামে। মিডিয়াতে টুকটাক কাজের অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু দুর্নীতির দায়ে সবখান থেকেই চাকুরী গেছে। ৫ আগষ্টের পর এখন তিনি গ্লোবাল টেলিভিশনের একই সাথে সিএনই, হেড অব নিউজ ও এ্যাসাইনমেন্ট এডিটর। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনির ক্ষমতাবলে এই তিনটি পদ দখল করেছেন, বিনিময়ে রনি নিচ্ছেন অনৈতিক সুবিধা।
হেড অব নিউজ পদে বসার জন্য রনি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নানাবিদ ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন গত ৬ মাস ধরে। যার মধ্যে অন্যতম হলো প্রেস উইং প্রতিষ্ঠানটির উপর নজর রাখছে এবং তিনিই তা রক্ষা করতে পারবেন এই ভয় দেখিয়ে হেড অব নিউজের পদ নিজ দখলে নিয়েছে । সে সংক্রান্ত অফিশিয়াল চিঠি রনি নিজেই লিখে দিয়েছেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দিয়ে জোরপূর্বক সই করিয়ে নিয়েছেন।
এখানেই থেমে থাকা নয়, এই ঘটনার ১ মাস পার না হতেই এ্যাসাইনমেন্ট এডিটরের পদ হতে আওলাদ বাবলু কে সরিয়ে ফেরদৌস মামুনকেই এ্যাসাইনমেন্ট এডিটরের পদে বসান ডিপিএস রনি।
দুর্নীতির অভিযোগে এনটিভি ও এস এ টিভি থেকে চাকরিচ্যুত ষাটোর্ধ্ব ফেরদৌস মামুন ভিষন রকম অদক্ষ হওয়া স্বত্ত্বেও বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার অপতৎপরতা বেড়ে যায় । তার কারনে প্রতিষ্ঠানের নিউজ বিভাগে অডিটোরিয়াল পোষ্টে গেলো ২ বছরে কেউ স্থায়ী হতে পারেনি।। তার অনৈতিকতা, অসততা ও দূর্নীতি কথা টেলিভিশনের সবার মুখে মুখে । লোন জালিয়াতির দায়ে ১ মাস জেলও খেটেছে এই মামুন। তারপরও নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে সে তার নিজ পদে বহাল রাখতে মালিকদের বাধ্য করেছে ।নানা অপকর্ম ও দুর্নীতির প্রমান পাওয়া স্বত্ত্বেও গ্লোবাল টেলিভিশন তাকে চাকুরীচ্যুত করতে পারছে। অভিযোগ আছে, টেলিভিশনের এইচ আর এডমিন ম্যনেজার কামরুল হাসান ওরফে ফয়সাল তার সকল অপকর্মে ও দুর্নীতির মাষ্টার মাইন্ড। তারা দুজন লাখ টাকার বিনিময়ে জেলা থানা প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়। প্রধান কার্যালয়, মন্ত্রী এমপিদের সুন্দরী মেয়ে সাপ্লাই থেকে শুরু করে সব অপকর্ম করে। কেবল তা ই নয় দেশ বিদেশের সব জেলা থানা প্রতিনিধিদের কাছ থেকে নিউজ প্রচারের জন্য প্রতিনিয়ত টাকা নেয়। যে প্রতিনিধি টাকা দিতে পারেনা তার নিউজ কখনো প্রচারিত হয়না। তার এই দুর্নীতির সিন্ডিকেট বজায় রাখতে টেলিভিশনের নিউজ বিভাগে কোনো বার্তা প্রধান বা এডিটর ইন চিফকে সে টিকতে দেয়না। সবাইকে মবের ভয় দেখায়।
