আসছে আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি, বড় চমক সজীব ওয়াজেদ জয়

অবশ্যই পরুন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার মধ্যেই আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়। তিন বছর মেয়াদি ওই কমিটির মেয়াদ ২০২৫ সালে শেষ হয়েছে। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম বড় ধরনের সংকটে পড়ে। দলের বহু নেতা দেশ ছাড়েন, আবার অনেকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

দলীয় সূত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে, সম্ভাব্য নতুন কমিটিতেও আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে শেখ হাসিনাকে রাখার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ছেলে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, নীতিনির্ধারণ ও সাংগঠনিক বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বিদেশে অবস্থানরত নেতাদের পরিবর্তে দেশে অবস্থান করা এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে থাকা নেতাদের মধ্য থেকে নতুন সাধারণ সম্পাদক বেছে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে চারজন সাবেক শীর্ষ নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। তাঁরা হলেন সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এদিকে আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভবিষ্যৎ নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। দীর্ঘ সময় নীরব থাকার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সাম্প্রতিক সক্রিয়তাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, দলের সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের সম্ভাবনা এবং নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখার প্রয়োজন থেকেই তিনি ভার্চুয়াল মাধ্যমে সক্রিয় হয়েছেন।

তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণা, কারা কোন পদে থাকবেন কিংবা বিদেশে থাকা নেতাদের দেশে ফেরার বিষয়ে দলীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো সামনে আসেনি। ফলে এসব আলোচনা আপাতত দলীয় সূত্র ও রাজনৈতিক মহলের কথাবার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ শেষ পর্যন্ত কোন পথে এগোয় এবং নতুন নেতৃত্বে কারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান সেটিই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত বিষয়।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ