১০ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার আটক

অবশ্যই পরুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাইদুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন রয়েছে।

​পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা ওই শিশুটি প্রায় ৮ মাস আগে ভেড়ামারার ওই মহিলা মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। গত রোববার মাদ্রাসা ছুটি হওয়ায় শিশুটির মা তাকে বাড়িতে নিতে আসেন। ওই সময় অভিযুক্ত সুপারের স্ত্রী দাবি করেন যে, শিশুটির জ্বর এসেছে। তবে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে দ্রুত ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকরা অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

​ঘটনার বিষয়ে শিশুটির মা কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, ভর্তির সময় মাদ্রাসায় ৪০-৪৫ জন ছাত্রী থাকলেও বর্তমানে তা কমে মাত্র ৭ জনে দাঁড়িয়েছে। তিনি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার কঠিন বিচার দাবি করেছেন। শিশুটির বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি মূর্খ মানুষ, মেয়েকে কোরআন শেখানোর জন্য মাদ্রাসায় দিয়েছিলাম। কিন্তু এরা পশুর চেয়েও জঘন্য।”

​ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানিয়েছেন, ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সোমবার অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মাওলানা সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ন্যাশনিক্স/এলকে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ