ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হলের নাম একের পর এক পরিবর্তনের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি, একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক হাস্যরসও। শিক্ষার্থীদের ভাষায়, “এখন রুম নম্বরের চেয়ে হলের নাম মনে রাখাই বেশি কঠিন!”
প্রথমে হলটির নাম ছিল ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল’। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর সেটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘শহিদ আবু সাঈদ হল’। তবে সেই নাম স্থায়ী হওয়ার আগেই নতুন করে ঘোষণা আসে হলের নাম হবে ‘কাজী নজরুল ইসলাম হল’।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের ভোটের মাধ্যমে আবারও নাম পরিবর্তন করে সর্বশেষ নির্ধারণ করা হয় ‘শহীদ ওসমান হাদী হল’।
ঘন ঘন নাম পরিবর্তনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এক শিক্ষার্থী বলেন,
“প্রথম বর্ষে যে হলে উঠেছিলাম, চতুর্থ বর্ষে এসে মনে হচ্ছে চারটি আলাদা হলে থেকেছি!”
আরেক শিক্ষার্থী হাস্যরস করে বলেন,
“হলের নাম মনে রাখতে রাখতে সিজিপিএ কমে গেছে। এখন রুমমেটের নাম ভুল হয় না, কিন্তু হলের নাম বলতে গেলে একটু থামতে হয়!”
এদিকে হলের নাম পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ফটোকপি ও প্রিন্টিং দোকানগুলোতেও। এক দোকানি বলেন,
“এখন ফরম প্রিন্ট করার আগে জিজ্ঞেস করতে হয় আজকের নামটা কী!”
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি ও পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখছেন।
ন্যাশনিক্স/এলকে
