৩৫ দিনে ভারত থেকে আমদানি করা হলো ২১ হাজার টন চাল

অবশ্যই পরুন

সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখা ও সরকারি খাদ্য মজুত বাড়াতে আমদানিতে জোর দিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ব্যাপকহারে চাল আমদানি হচ্ছে।

ভোমরা কাস্টমস হাউস সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৩৫ দিনে এই বন্দর দিয়ে মোট ২১ হাজার ৭২৪ মেট্রিক টন চাল দেশে প্রবেশ করেছে।

সূত্র মতে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর আমদানিকারকরা দ্রুত ভারত থেকে চাল আনা শুরু করেন। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং চালের ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ন্ত্রণে রাখাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। আমদানিকৃত চালের মধ্যে স্বল্প ও মাঝারি মানের আতপ ও সিদ্ধ চাল রয়েছে, যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতে সরবরাহ করা হচ্ছে।

ভোমরা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মোস্তফা কামাল জানান, খাদ্য অধিদপ্তর থেকে নতুন করে লক্ষাধিক মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থল ও সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি ভোমরা দিয়েও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাল আসছে। দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তদারকি করছে বলেও জানান তিনি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভৌগোলিক সুবিধা, ভারত সীমান্তের নিকটবর্তী অবস্থান এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ভোমরা স্থলবন্দর আমদানিকারকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

ভোমরা কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা বলেন, ভোমরা বর্তমানে একটি পূর্ণাঙ্গ কাস্টমস হাউস হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এখানে পণ্য খালাসে সময় কম লাগে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ আগের তুলনায় অনেক উন্নত হওয়ায় আমদানিকারকদের আগ্রহ বাড়ছে।

এদিকে ভোমরা আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা মনে করছেন, এই বিপুল পরিমাণ চাল বাজারে সরবরাহ হলে খুচরা বাজারে দামের চাপ কিছুটা কমবে। পাশাপাশি নিয়মিত আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ভোমরা স্থলবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ন্যাশনিক্স/এএএইচপি

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ