রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে প্রায় এক বছর আগেই সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছিল ইসলামী ছাত্রশিবির। শিবিরের নথি ও সংশ্লিষ্ট নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে তাঁর বিরুদ্ধে ‘পদ-বাণিজ্য’, নৈতিক স্খলন, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রথমে তাঁর ‘সাথী’ পদ স্থগিত এবং পরে তা বাতিল করা হয়।
তবে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে একজন ছাত্রীর সঙ্গে সালাউদ্দিন আম্মারের কথিত ‘অনৈতিক ভিডিও’ প্রকাশ্যে আসতে পারে, এমন কোনো খবর কি শিবির আগেই পেয়েছিল?
নেটিজেনদের একাংশের দাবি, সম্ভাব্য ওই ভিডিও প্রকাশকে কেন্দ্র করে তৈরি হতে পারে এমন বিতর্কের আশঙ্কা থেকেই সংগঠনটি আগেভাগে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকতে পারে। এমনকি কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, পদ-বাণিজ্য ও অন্যান্য অভিযোগের পাশাপাশি ওই সম্ভাব্য ভিডিও-সংক্রান্ত তথ্যও কি শিবিরের সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছিল?
অন্যদিকে, শিবিরের প্রকাশিত ব্যাখ্যায় আম্মারের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কারণ হিসেবে পদ-বাণিজ্যসহ একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, এসব অভিযোগ ২০২৫ সালেই সংগঠনের নজরে আসে।
এখন মূল প্রশ্ন শিবির যে কারণে আম্মারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে, সেটিই কি প্রকৃত কারণ, নাকি এর বাইরে আরও কোনো তথ্য সংগঠনের হাতে ছিল?
