দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর মনোনয়নকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। একই সময়ে জামায়াত-সমর্থিত জোটের পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতি পদে কর্নেল অলি আহমদের নাম আলোচনায় এসেছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম সামনে এলেও শেষ পর্যন্ত বিএনপি তাদের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। (justnewsbd.com)
মির্জা ফখরুলের মনোনয়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির অবস্থানও স্পষ্ট হলো। দলটির দীর্ঘদিনের এই শীর্ষ নেতা বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন। (Oracle Cloud Storage)
অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত-সমর্থিত জোটের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কর্নেল অলি আহমদের নাম নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি ও বিরোধী রাজনৈতিক জোটের মধ্যে নতুন সমীকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরেও রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে এর আগে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন ছিল। রাজনৈতিক মহলে তাঁর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা থাকলেও বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চলা নানা জল্পনার অবসান ঘটল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তবে ইউনূসকে ঘিরে ‘গোপনে রাষ্ট্রপতি হওয়ার চেষ্টা’ কিংবা তাঁর অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি তাঁকে প্রার্থী হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে’ এরকম গুন্জন ওঠেছে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে এখন মূল নজর থাকবে অন্যান্য রাজনৈতিক জোট ও প্রার্থীদের অবস্থানের দিকে। মির্জা ফখরুল ও কর্নেল অলি—দুই পক্ষের সম্ভাব্য প্রার্থিতা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে কী ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
সব মিলিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ তৈরি হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্ত হওয়ায় দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান হলেও সামনে আরও নতুন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ তৈরি হতে পারে।
