শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর পর ওয়ারিশ ও ট্রাস্ট-সংক্রান্ত জটিলতাকে কেন্দ্র করে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার ও হাদী পরিবারের মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তার নেপথ্য কারণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, জুলাই ২০২৬ সালে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার থেকে আবদুল্লাহ আল জাবের, ফাতেমা তাসনিম জুমাসহ শীর্ষ ছয়জন পদাধিকারী পদত্যাগ করেন। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা ও হাদী পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে আসে।
তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, বিরোধের পেছনে শুধু ওয়ারিশ বা ট্রাস্ট-সংক্রান্ত বিষয়ই ছিল না। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় আবদুল্লাহ আল জাবেরকে গ্রহণযোগ্য মনে করলেও ফাতেমা তাসনিম জুমাকে দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখতে আপত্তি ছিল হাদীর স্ত্রী ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে।
সূত্রটি আরও দাবি করেছে, হাদীর মৃত্যুর পর তাকে ও জুমাকে ঘিরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের নানা গুঞ্জন লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টিকে এখনো গুঞ্জন ও অভিযোগ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে হাদীর পরিবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে এবং প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে জুমাকে দেখতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে বলে সূত্রের দাবি। এর ফলে একদিকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, অন্যদিকে পরিবারের অবস্থান দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতা হয়েছে বলে জানা গেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আবদুল্লাহ আল জাবের ও ফাতেমা তাসনিম জুমা ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
