রেফারিদের ‘যৌন সেবা’ দিয়ে নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা!

অবশ্যই পরুন

বিদেশি রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে আনতে ২০১১ ও ২০১২ সালে যৌনসেবার ব্যবস্থা করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএফএ)।

দক্ষিণ কোরিয়ার সম্প্রচারমাধ্যম জেটিবিসির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দেশটির সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের একটি গোপন নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের মার্চ থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত সাত দফায় মোট ২০ জন বিদেশি ম্যাচ কর্মকর্তার জন্য বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি ক্ষেত্রে করপোরেট কার্ড ব্যবহার করে ম্যাসাজ পার্লারে অর্থ পরিশোধ করা হয়, যা তদন্তকারীদের মতে যৌনসেবার ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রতিবেদনে কেএফএর এক সাবেক কর্মকর্তা দাবি করেন, বিদেশি রেফারিদের সন্তুষ্ট রাখার উদ্দেশ্য ছিল যাতে তারা ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে সিদ্ধান্ত দেন। তবে ঠিক কোন রেফারিরা এসব সুবিধা পেয়েছিলেন, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে কেএফএ জানিয়েছে, ঘটনাগুলো প্রায় ১৫ বছর আগের। বর্তমানে সংস্থাটি কঠোর নৈতিকতা নীতিমালা অনুসরণ করে এবং পাঁচ বছরের বেশি সময় নথি সংরক্ষণ না করায় অভিযোগের বিস্তারিত যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না।

এরই মধ্যে জাতীয় দলের কোচ নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগেও তদন্তের মুখে রয়েছে কেএফএ। ফলে পুরোনো এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় সংস্থাটির ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

ফুটবল নৈতিকতা বিশেষজ্ঞদের মতে, রেফারিদের প্রভাবিত করার যেকোনো চেষ্টা ফিফার শৃঙ্খলাবিধির গুরুতর লঙ্ঘন এবং এটি ম্যাচের নিরপেক্ষতার জন্য বড় হুমকি।

ন্যাশনিক্স/এলকে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ