বাংলাদেশের বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ও গণমাধ্যমে সরাসরি অংশগ্রহণের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই অনুষ্ঠান দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন উদ্বেগ আগেই ভারত সরকারকে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অসম্মান এবং দেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে বলে সরকারের দাবি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সমতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। একই সঙ্গে ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধের বিষয়ে এখনো ভারতের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রচারিত শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিভিন্ন অনলাইন দাবিতে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে প্রায় ২৫ লাখ (২.৫ মিলিয়ন) মানুষ একসঙ্গে লাইভটি দেখেছেন।
ন্যাশনিক্স/এলকে
