বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আজ স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। তবে প্রতিপক্ষের পাশাপাশি মেক্সিকো সিটির উচ্চতাও থমাস টুখেলের দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ২০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত আজতেকা স্টেডিয়ামে বাতাসে অক্সিজেনের ঘনত্ব তুলনামূলক কম। ফলে খেলোয়াড়দের শ্বাস-প্রশ্বাস ও শারীরিক সক্ষমতায় এর প্রভাব পড়তে পারে।
এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসাগত বিকল্প হিসেবে ভায়াগ্রা বা সিলডেনাফিল ব্যবহারের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা এবং বিশ্ব ডোপিংবিরোধী সংস্থা ওয়াডার নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় সিলডেনাফিল নেই। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহার করলে কোনো নিয়ম ভঙ্গ হয় না।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিলডেনাফিল ফুসফুসের রক্তনালী প্রসারিত করতে সহায়তা করে। এতে উচ্চতায় শরীরে অক্সিজেন পরিবহন সহজ হতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ কিছুটা কমতে পারে।
তবে ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়রা এই ওষুধ ব্যবহার করবেন, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, যৌন উদ্দীপনা ছাড়া সিলডেনাফিল মূলত রক্তসঞ্চালন ও ফুসফুসের কার্যকারিতায় সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তাই খেলোয়াড়দের জন্য বিব্রতকর কোনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
এর আগে ২০১৯ সালে আর্জেন্টিনার ক্লাব ইউনিয়ন দে সান্তা ফে ইকুয়েডারের উচ্চতায় ম্যাচ খেলতে একই ধরনের চিকিৎসাগত পদ্ধতির আশ্রয় নিয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উচ্চতার পাশাপাশি আজতেকা স্টেডিয়ামের ইতিহাসও ইংল্যান্ডের জন্য কঠিন। নিজেদের মাঠে গত ৮৯টি ম্যাচে মেক্সিকো মাত্র দুটি ম্যাচে হেরেছে। ফলে শেষ ষোলোর এই লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা।
ন্যাশনিক্স/এলকে
