তীব্র গরম ও বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে জনঅসন্তোষ বেড়েছে। টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, ঢাকা, ঝালকাঠি, সিলেট, শেরপুর ও রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও এবং হামলার ঘটনা ঘটেছে।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক বন্ধ থাকায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ চলাকালে বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষুব্ধ কিছু ব্যক্তি পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঢাকার দোহারে অতিরিক্ত বিল ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের অভিযোগ তুলে পল্লী বিদ্যুতের কার্যালয় ঘেরাও ও মানববন্ধন করেন গ্রাহকেরা। কর্তৃপক্ষ অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
শেরপুরে বিশ্বকাপ চলাকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আবেদন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে প্রবেশ করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এতে সাময়িক সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং তদন্ত শুরু হয়।
রাজশাহীর বাগমারায় লোডশেডিং বিষয়ে প্রচারণা চালানোর সময় পল্লী বিদ্যুতের একটি প্রচার গাড়ি আটকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকায় বিভিন্ন এলাকায় পালাক্রমে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তাদের দাবি, তীব্র গরম এবং বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালে বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও চাপের মুখে পড়েছে।
ন্যাশনিক্স/এলকে
