সম্প্রতি বিএনপি প্রধান তারেক রহমান একটি সাক্ষাৎকারে তার ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর জন্য পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন। তবে ইতিহাস ও তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।
আরাফাত রহমান কোকো ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হন। তখন ক্ষমতায় ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আর শেখ হাসিনা তখন কারাগারে ছিলেন। ২০০৮ সালের মে মাসে কোকো জামিনে মুক্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যান। চিকিৎসা শেষে তিনি মালয়েশিয়ায় পরিবারসহ স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেন।
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটানোর সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। কোকোর মৃত্যুর সঙ্গে আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার কোনো সরাসরি যোগ নেই। বরং মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোকোর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে খালেদা জিয়ার বাসায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে বিএনপি তাকে ঢুকতে দেয়নি, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের জঘন্যতম নজির হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কোকোর মৃত্যু প্রাকৃতিক কারণে হয়েছে এবং মালয়েশিয়াতে চিকিৎসা নিয়েছেন। তার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা পুরোপুরি ভুল। এই ধরনের অভিযোগ শুধুই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি করা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা।
