যশোরের চৌগাছা উপজেলায় রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে জুয়েল রানা নামে এক যুবলীগ নেতার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ এলাকায় হামলার শিকার হন তিনি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত জুয়েল রানা মুক্তদাহ গ্রামের বাসিন্দা এবং পাতিবিলা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ছিলেন। হামলার সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার স্ত্রী মায়া খাতুনও আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে মুক্তদাহ এলাকার একটি মোড়ে অবস্থানকালে কয়েকজন ব্যক্তি জুয়েল রানার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন।
জুয়েলের স্ত্রী মায়া খাতুন দাবি করেন, হামলার সময় তিনি ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগে নাম আসা এক স্থানীয় বিএনপি নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে রাজনৈতিক বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
ন্যাশনিক্স/এলকে
