অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা নাকি ‘সেফ এক্সিট’ খুঁজছেন এমন দাবি করেছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, সরকারের অনেক উপদেষ্টা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং নিজেদের নিরাপদ প্রস্থানের পথ খুঁজে নিচ্ছেন।
এনসিপির আরেক নেতা সার্জিস আলম আরও কঠোর মন্তব্য করে বলেন, “মৃত্যু ছাড়া কিছু উপদেষ্টার কোনো সেফ এক্সিট নেই।” তার এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
সামনে নির্বাচন ঘিরে উপদেষ্টাদের এই ‘সেফ এক্সিট’ চিন্তা নিয়ে এনসিপির ভেতরেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন ২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও বর্তমান উপদেষ্টারা কেন এখন নিরাপদ প্রস্থানের চিন্তায়? তারা কি জনগণ ও শিক্ষার্থীদের আস্থা হারিয়েছেন? গ্রহণযোগ্যতা কি ক্রমেই কমে যাচ্ছে? আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য পুনরাগমনের আশঙ্কা কি তাদের অস্বস্তিতে ফেলেছে?
সম্প্রতি সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দীনের টকশোতেও এই প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেখানে আব্দুন নুর তুষার বলেন, “উপদেষ্টারা সম্মানের এক্সিট না চেয়ে কেন সেফ এক্সিট চাচ্ছেন?”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, উপদেষ্টাদের এই সেফ এক্সিট বিতর্ক এখন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি নতুন সংকেত যা সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ও জনআস্থার ওপর বড় প্রশ্ন তুলছে।
