নালিতাবাড়ীতে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, টয়লেট থেকে মরদেহ উদ্ধার

অবশ্যই পরুন

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় ১১ বছরের কন্যাশিশু সানজিদা আক্তারকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে প্রতিবেশীর টয়লেটে লুকিয়ে রাখার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত সানজিদা আক্তার নালিতাবাড়ী উপজেলার পানিহাতা/রামচন্দ্রকুড়া এলাকার আমিনুল ইসলামের মেয়ে। মায়ের মৃত্যুর পর সে নানি চাঁন ভানুর কাছে লালিত-পালিত হচ্ছিল।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সানজিদা প্রতিবেশী চাঁন মিয়া পাগলার বাড়িতে খেলতে যায়। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে থাকেন এবং এলাকায় মাইকিং করেন। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত অনুসন্ধান চলাকালে সন্দেহভাজন বিল্লাল হোসেনের মা তহুরুন নেছার ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে তিনি ছেলের মোবাইল নম্বর দেন।

স্বজনরা ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে বিল্লাল হোসেন ফোনে শিশুটিকে হত্যা করে নিজেদের টয়লেটে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয়রা টয়লেটে গিয়ে সানজিদার মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশকে খবর দেন।

নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হবে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিল্লাল হোসেনের বাবা চাঁন মিয়া (চান পাগলা), মা তহুরুন নেছা ও বোন রাবিয়া বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। প্রধান অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন (চাঁন মিয়ার ছেলে) পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

নালিতাবাড়ী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ