যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর থেকে রুশ পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর United States European Command (ইউকম) জানায়, ‘মারিনেরা’ নামের জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। জাহাজটি আগে ‘এম/ভি বেলা-১’ নামেও পরিচিত ছিল।
ইউকমের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ফেডারেল আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে জাহাজটি জব্দ করা হয়। অভিযানে সমন্বয় করে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর ও প্রতিরক্ষা দপ্তর। দীর্ঘদিন ধরে জাহাজটিকে নজরদারিতে রেখেছিল মার্কিন কোস্টগার্ডের কাটার ‘মনরো’।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানায়, জাহাজটি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং এটি সম্প্রতি গায়ানার পতাকা পরিবর্তন করে রুশ পতাকা ধারণ করে। এর আগে জাহাজটি পাহারা দিতে রাশিয়া একটি সাবমেরিনসহ নৌবহর পাঠিয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, BBC-এর খবরে বলা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা জাহাজটি ডুবিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে জব্দ করতেই আগ্রহী ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এটি নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় সাগর থেকেও আরেকটি তেলবাহী জাহাজ জব্দের ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন কমান্ড জানায়, ‘এম/টি সোফিয়া’ নামের এই জাহাজটি ‘রাষ্ট্রহীন’ এবং নিষেধাজ্ঞাভুক্ত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। জাহাজটিকে তথাকথিত ‘ডার্ক ফ্লিট’-এর অংশ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলছে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সমুদ্রপথে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে এবং অবৈধ তেল পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ন্যাশনিক্স/এলকে
