পরপর ভূমিকম্পের পর এবার বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা

অবশ্যই পরুন

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৪ ঘণ্টায় তিন দফা ভূমিকম্পের আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই, এবার বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ভূমিকম্প ও আফটারশকের থমথমে পরিস্থিতির মধ্যেই আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো নতুন সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালী ও আশপাশের এলাকায় যে লঘুচাপটি তৈরি হয়েছে, তা আগামী দুই–তিন দিনে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তি বাড়াতে পারে। অনুকূল আবহাওয়ায় এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগরে পৌঁছে প্রথমে নিম্নচাপ, পরে গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।

পূর্বাভাস বলছে, ২৫–২৭ নভেম্বরের মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে, এবং এরপর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এর সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি সঞ্চয় করে ২৮–২৯ নভেম্বরের মধ্যে মধ্য ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে। তখন এটি একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এর গতিপথ উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে মোড় নিতে পারে।

সর্বশেষ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ১–২ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ উপকূলের যেকোনো অংশে আঘাত হানতে পারে। তবে এখনই নির্দিষ্ট স্থানের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়; আরও কয়েক দিনের পর্যবেক্ষণে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

বিডব্লিউওটির তথ্যমতে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৩০ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হতে পারে, যা দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তুলনায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হতে পারে বলে প্রাথমিক বিশ্লেষণে জানা গেছে।

ন্যাশনিক্স/এপি

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ