এবার জামায়াতের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ রুমিন ফারহানার

অবশ্যই পরুন

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশীয় রাজনৈতিক আবহাওয়া আবার নতুন ভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে। একাধিক রাজনৈতিক দল ও ঘরানার মধ্যে তোলাপড়ার নানা রূপ দেখা যাচ্ছে, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগের সঞ্চার ঘটাচ্ছে। বিশেষ করে রুমিন ফারহানা র একাধিক অভিযোগ এই উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে আলোচনায় ছিল না নিম্নকক্ষে ‘পিআর’ (প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা) বিষয়টি। তিনি বলেন, “যখন বোঝা গেল নির্বাচনে বাধা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তখন হঠাৎ তারাই পিআর নিয়ে হুমকি দিতে শুরু করলো নিম্নকক্ষে পিআর না হলে ভোটে যাবে না।” এই আচরণ তিনি ব্ল্যাকমেইলিং হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন প্রায় ১১ কোটি ভোটার কি ভোট দেওয়ার আগে প্রস্তাবিত ৮৪টি ধারার তথ্য ও ‘হ্যাঁ/না’-ভোট থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়া বুঝে উঠতে পারছেন কি না। তিনি বলেন, ভোটারদের জন্য পুরো তথ্য সরবরাহ হয়নি এবং এমন অবস্থায় কোনো দল “নোট অব ডিসেন্ট”সহ ভোটে যুক্ত হওয়া উচিত কি না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের দাবিপত্র ও হুমকির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও সাধারণ অংশগ্রহণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দৃষ্টিকোণ থেকে এর দ্রুত সমাধান না হলে আগামী ভোট অসম্পূর্ণ এবং বিতর্কিত রূপ নিতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।

ন‍্যাশনিক্স/একেএ

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ