মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার এনসিপি সদস্য মেরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগ উঠেছে অনৈতিক সম্পর্ক, নারীদের কুপ্রস্তাব, অর্থ আত্মসাৎ ও হুমকিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, মেরাজুল ইসলাম এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন এবং ব্যবসায় সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়রা জানান, মেরাজুল ইসলাম অতীতে কয়েকটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন, কিন্তু নারী কেলেঙ্কারি ও অর্থ আত্মসাৎ অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বহিষ্কার হন। এরপর তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে যোগ দিয়ে জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য পদে দায়িত্ব পান। পরে রাজৈর উপজেলার নদী বেষ্টিত বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করেন।
এক ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেছেন, মেরাজুল ইসলাম দীর্ঘ ৩ বছর প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে জড়ান। তিনি ওই নারীকে ব্ল্যাকমেইল করে কোটি টাকার বেশি দাবি করেছেন এবং হুমকিও দিয়েছেন। এছাড়া, ভুক্তভোগীর মোবাইল থেকে গোপন ছবি তুলে তাকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নারী প্রথমে রাজৈর থানায় এবং পরে সেনাবাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেরাজুল ইসলামের এই কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে অর্থ দাবি এবং অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও উঠেছে।
মাদারীপুর জেলা ও রাজৈর থানার কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্তের প্রক্রিয়া চলমান।
