শিক্ষার্থীরা ব্যাপক হতাশা প্রকাশ করেছেন। ফলাফলের ধস ও অপ্রত্যাশিত কম পাসের হার শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে সিলেট ও কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফলে ধস লক্ষ্যণীয়; সিলেট বোর্ডে পাসের হার কমে ৫১.৮৬ শতাংশে নেমেছে, যা গতবারের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ কম, এবং কুমিল্লা বোর্ডের পাসের হার হয়েছে ৪৮.৮৬ শতাংশ। বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগেও পাসের হার কমেছে, যেখানে মানবিক বিভাগে সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাশ করেছে।
ফলাফলের এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবির সঙ্গে আন্দোলনে নেমেছেন। তাদের দাবি হলো, ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজন করা হোক, খাতার পুনঃনিরীক্ষণ নয়, পুরো পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন করা হোক, প্রতিটি বিষয়ের নম্বর স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা হোক এবং এমসিকিউ ও সিকিউ মিলিয়ে সম্মিলিতভাবে পাশের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। শিক্ষার্থীরা আগামীকাল, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে গণজমায়েতের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরবেন।
এছাড়াও রবিবার (২০ অক্টোবর) আন্দোলনের ডাক দেওয়া শিক্ষার্থীরা সাইফুল্লাহ সাইফ (কিশোরগঞ্জ) আদিল (সিলেট) সম্রাট (ঢাকা) রাজিব (গাজিপুর) খাইরুল ইসলাম রাজ (পটুয়াখালী) জুবায়ের হাওলাদার (পটুয়াখালী) আহাদুল (পটুয়াখালী)গণমাধ্যকে পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের আন্দোলনের খবর ছড়িয়ে দিচ্ছেন এবং অন্য শিক্ষার্থীদেরও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের এই দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
ন্যাশনিক্স/একেএ
