সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার ৭নং মাথিউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আমান উদ্দীন বর্তমানে একটি রাজনৈতিক মামলায় কারাবন্দি রয়েছেন। গত ৩০ জুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।
চেয়ারম্যান আমান উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বর্তমানে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি একজন সক্রিয় ও আদর্শবান ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
গ্রেফতারের পর তাঁর নিজ এলাকা মাথিউরায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যান আমান উদ্দীনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা মনে করেন, একজন জনপ্রিয় ও সৎ রাজনীতিককে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে এ মামলা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এলাকাবাসী বলেন: “চেয়ারম্যান আমান উদ্দীন একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য মানুষ। তিনি কখনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী ছিলেন না। দলমত নির্বিশেষে সকলের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।”
গ্রেফতারের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। তাঁরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং চেয়ারম্যান আমান উদ্দীনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমন একজন জনপ্রিয় ও সৎ জননেতার গ্রেফতার রাজনৈতিক সহনশীলতার পরিপন্থী এবং এটি স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
