সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পরেন: চিফ হুইপ

অবশ্যই পরুন

সরকারি অর্থের অপচয় রোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই ব্যয়সংকোচনের দৃষ্টান্ত তৈরি করছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। জনগণের করের অর্থ যাতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যয় না হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও সরকারি কার্যক্রমে সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ ব্যবহারে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়ানোর নীতি অনুসরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত জীবনযাপনেও প্রধানমন্ত্রী ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছেন।

সরকারি কাজে ব্যয় কমানোর উদাহরণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে যাতায়াত, গাড়ি ও লোকবহরের ব্যবহার কমিয়েছেন বলে জানান চিফ হুইপ। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েই খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সরকারি ব্যয়ের প্রসঙ্গ তুলে আগের সরকারের সঙ্গে তুলনাও করেন নুরুল ইসলাম মনি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের খাবার বাবদ বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের ব্যয়ের একটি হিসাবও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।

চিফ হুইপ আরও দাবি করেন, আগের সরকারের নেওয়া ঋণের একটি অংশ বর্তমান সরকারকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ মাসে আগের সরকারের নেওয়া ঋণের মধ্যে ২০৫ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে জবাবদিহির ওপরও গুরুত্ব দেন নুরুল ইসলাম মনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য সরকারি কাজে দেশের বাইরে গেলে ব্যয়ের হিসাব শুধু মৌখিকভাবে গ্রহণ করা হবে না। সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

চিফ হুইপ বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের করের টাকা হওয়ায় এর প্রতিটি ব্যয়ের হিসাব থাকা প্রয়োজন। কোনো অর্থ যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যয় না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যয়সংকোচনের উদ্যোগকে লোক দেখানো নয় বলেও মন্তব্য করেন নুরুল ইসলাম মনি। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী বাস্তবভাবেই ব্যয় কমানোর নীতি অনুসরণ করছেন।

ন্যাশনিক্স/এলকে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ