পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শেখ হাসিনার বাণী: নবীর জীবনাদর্শই শান্তির পথ

অবশ্যই পরুন

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত দিন। মহানবী (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন তওহিদের মহান বাণী নিয়ে। সব ধরনের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, পাপাচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবজাতির চিরমুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছিলেন তিনি। মানবজাতিকে তিনি মুক্তি ও শান্তির পথে আসার আহ্বান জানিয়ে অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়ে সত্যের আলো জ্বালিয়েছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে প্রিয়নবী (সা.)-এর অনুপম জীবনাদর্শ, তাঁর সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহর অনুসরণ এবং ইবাদতের মাধ্যমেই বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, শান্তি, ন্যায়, সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন এবং মানবকল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে। অন্যান্য ধর্মের মানুষদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা, মহানুভবতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ অনন্য নজির হিসেবে স্বীকৃত, যা আমাদের জন্য অনুসরণীয়। সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তিনি নারীর মর্যাদা ও অধিকার, শ্রমের মর্যাদা এবং মনিবের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে স্পষ্ট ভাষায় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর নীতি, আদর্শ ও বিচক্ষণতা সংঘাত-সংঘর্ষ-যুদ্ধ নিরসনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর অনবদ্য ভূমিকা এবং তাঁর অমিত সাহস, ধৈর্য ও বিচক্ষণতা তখনকার মানুষকে যেমন বিমুগ্ধ করেছিল, তেমনি অনাগত মানুষদের জন্যও শান্তি প্রতিষ্ঠার আদর্শ ও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
বাণীর শেষে শেখ হাসিনা প্রার্থনা করেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ আমাদের সবার জীবনকে আলোকিত করুক এবং আমাদের চলার পথের পাথেয় হোক।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ