গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নমুখী রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে একটি প্রকৃত ‘জেন-জি প্লাস আলফা’ বিপ্লব সংগঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
দ্যপ্রিন্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাদ্দাম হোসেন বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তাদের একটি অংশ এখন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িকতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নকেন্দ্রিক রাজনীতির গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করছে।
সাদ্দাম হোসেন বলেন, “একটি প্রকৃত ‘জেন-জি প্লাস আলফা’ বিপ্লব শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাবে। এই বিপ্লবের লক্ষ্য হবে গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা, উন্নয়নমুখী রাজনীতি এবং একটি উন্নয়নকেন্দ্রিক জাতীয় এজেন্ডা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।”
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক জাগরণ শুধু কোনো ব্যক্তি বা দলকে কেন্দ্র করে নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক ধারাকে পুনরুজ্জীবিত করার আকাঙ্ক্ষা থেকে তৈরি হতে পারে।
সাদ্দামের বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক ভূমিকার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর মতে, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে জেন-জি ও জেন-আলফার একটি বড় ভূমিকা থাকবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রীয় চরিত্র বজায় রাখা, ব্যক্তিস্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা তরুণদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক জাগরণ তৈরি হতে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ছাত্রলীগ সভাপতি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই নতুন প্রজন্মের জাগরণ হবে গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নমুখী রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।
সাদ্দাম হোসেনের এই বক্তব্যকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্যে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নমুখী রাজনীতির ধারায় ফিরে আসার প্রত্যয়ের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
