গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতা ও বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রাশেদ খান জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও এক দফা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নতুন মন্তব্য করেছেন। শুক্রবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা দেন।
পোস্টে রাশেদ খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের অবদান নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি করা ঠিক নয়। যার যতটুকু ভূমিকা, ততটুকুই স্বীকার করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও লেখেন, মাহফুজ আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে, তা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তার দাবি, এক দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করেছিলেন। আর অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশনা পাঠ করেছিলেন আসিফ মাহমুদ।
রাশেদ খান বলেন, ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি বিজ্ঞপ্তি এবং ৩ আগস্ট সেনাপ্রধানের বক্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন সাহস জুগিয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর অবস্থান স্পষ্ট হওয়ার পরই এক দফা ঘোষণার পরিবেশ তৈরি হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, ১ আগস্ট থেকেই শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে যায় এবং সে সময় থেকেই অনেক মন্ত্রী-এমপি দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, রাজনৈতিক দল, সাধারণ মানুষ এবং সেনাবাহিনীরও ভূমিকা ছিল। এক দফার সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে নেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সবশেষে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আব্দুল কাদেরের বক্তব্য সত্য না মিথ্যা, সে বিষয়ে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারের মতো সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ন্যাশনিক্স/এলকে
