বগুড়ার নন্দীগ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পর ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
গ্রেপ্তার হওয়া বাকী বিল্লাহ উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি একটি মসজিদের খতিব ও একটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি জামায়াতে ইসলামীর একটি ওয়ার্ড ইউনিটের নেতা।
পুলিশ জানায়, আত্মীয়তার সূত্রে অভিযুক্তের ভুক্তভোগীর বাড়িতে যাতায়াত ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন।
কয়েক মাস পর তরুণীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করলে পরিবার তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। চিকিৎসা পরীক্ষায় তিনি প্রায় ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
আদালতের নির্দেশে নন্দীগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রেকর্ড করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ন্যাশনিক্স/এলকে
