নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমানের ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান তালিকায় তাঁর মেয়ের নাম থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সচিবালয় থেকে অনুমোদিত তালিকায় একই নাম দুটি স্থানে থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ভাইরাল হওয়া তালিকায় মোট ২১ জনের নামে অনুদান বরাদ্দের তথ্য রয়েছে। সেখানে দুটি স্থানে ‘ফাইজা’ নাম উল্লেখ রয়েছে এবং প্রতিটি নামে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান নির্ধারণ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, এই নামটি সংসদ সদস্যের মেয়ের।
এ ছাড়া তালিকার বেশিরভাগ উপকারভোগী সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন এবং শ্বশুরবাড়ির এলাকার হওয়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বলেন, তিনি তালিকা প্রস্তুতের দায়িত্ব ব্যক্তিগত সচিবকে দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, দ্রুত তালিকা জমা দেওয়ার প্রয়োজন হওয়ায় পরিচিত ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে তালিকাটি তৈরি করা হয়। এতে পরিবারের সদস্যদের নামও যুক্ত হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, অনুদানের অর্থ অনুমোদন হয়ে এসেছে, সেটিও তিনি আগে জানতেন না। ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরে নতুন করে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেন।
তবে নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সচিবালয় থেকে যাদের নামে অনুদান অনুমোদিত হয়েছে, নীতিমালা অনুযায়ী কেবল তাদের কাছেই অর্থ বিতরণ করা যাবে। তালিকা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে সেটি সচিবালয় থেকেই সংশোধন করতে হবে।
ন্যাশনিক্স/এলকে
