দেশে ছাপানো টাকার সংকট দেখা দেওয়ায় বাজারে অতিরিক্ত নগদ অর্থ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আগের নকশার প্রস্তুত থাকা কিছু নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে নগদ অর্থের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। পাশাপাশি ঈদের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং কিছু ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলনের কারণে নগদ টাকার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন নোটের সরবরাহ দীর্ঘদিন সীমিত থাকায় বাজারে পুরোনো ও ছেঁড়া নোটের পরিমাণ বেড়েছে। অনেক এটিএম বুথেও নগদ অর্থের সংকটের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি সাময়িক পরিস্থিতি। ঈদের সময় মানুষের হাতে থাকা নগদ অর্থ ধীরে ধীরে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় মুদ্রা সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ব্যাংকারদের মতে, নতুন নোট ছাপা ও সরবরাহে বিলম্ব এবং বাজারে নগদ অর্থের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার ফলে সাময়িক এই চাপ তৈরি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তারা আশা করছেন।
ন্যাশনিক্স/এলকে
