রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন তার মা পারভীন আক্তার। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার সময় একটি শিশুর চিৎকার শুনলেও সেটি যে তার মেয়ের ছিল, তা বুঝতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে পারভীন আক্তার বলেন, সকালে তিনি রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় তাকে দাঁত ব্রাশ করে স্কুল ড্রেস পরতে বলেছিলেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, রামিসার বড় বোন পাশের বাসায় যাচ্ছিল। রামিসাও তার পেছনে যেতে চাইলে বড় বোন তাকে বাসায় থাকতে বলে। এরপর দরজা খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় বলে ধারণা করছেন তিনি।
পারভীন আক্তার বলেন, পরে দরজার সামনে রামিসার একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন। তখন তার সন্দেহ হয়। একই সময়ে একটি চিৎকারও শুনেছিলেন, তবে সেটি পাশের কোনো শিশুর বলে ভেবেছিলেন।
তিনি আরও জানান, সন্দেহ হওয়ার পর পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় বারবার ধাক্কা দেওয়া হলেও কেউ দরজা খুলছিল না।
পারভীন আক্তারের দাবি, অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের পরিবারের তেমন কোনো যোগাযোগ বা ঘনিষ্ঠতা ছিল না।
গত মঙ্গলবার পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-কেও আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ন্যাশনিক্স/এলকে
