সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা থাকলেও সরকার ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নীরবতা নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
সম্প্রতি এক আলোচনায় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক তথ্যের সাধারণ নিরাপত্তা চুক্তি (GSOMIA) এবং অধিগ্রহণ ও পারস্পরিক সেবা চুক্তি (ACSA) করতে চায় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে।
তার দাবি, এসব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের বন্দর ও বিমানঘাঁটি মার্কিন সামরিক কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সরকার বা বড় রাজনৈতিক দলগুলোর স্পষ্ট অবস্থান না থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মাসুদ কামাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা থাকলেও দীর্ঘ সময় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট মার্টিন ও আশপাশের এলাকা সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। তখন বিষয়টি অনেকেই গুরুত্ব দেননি। তবে বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সেই বক্তব্য মিলিয়ে দেখছেন অনেকে।
মাসুদ কামালের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণ যেমন ছিল, তেমনি আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক স্বার্থও ভূমিকা রাখতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত নিরাপত্তার মতো বিষয়ে রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যমের আরও খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন।
ন্যাশনিক্স/এলকে
