সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ করেই বেড়েছে ভাঙা ডিমের চাহিদা। বাজারে সব ধরনের ডিমের দাম বাড়তে থাকায় স্বল্প আয়ের মানুষ তুলনামূলক কম দামের ভাঙা ডিম কিনে সংসার চালানোর চেষ্টা করছেন। এতে আগের তুলনায় ভাঙা ডিমের দামও বেড়ে গেছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ধানগড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক ক্রেতা ভালো ডিমের পরিবর্তে ভাঙা ডিম খুঁজছেন। ব্যবসায়ীরাও বলছেন, আগে যেসব ভাঙা ডিম বিক্রি হতো না, এখন সেগুলোর জন্যও আলাদা ক্রেতা তৈরি হয়েছে।
ডিম বিক্রেতারা জানান, কিছুদিন আগেও ফার্মের মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হতো ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায়। বর্তমানে সেই ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। একইভাবে হাঁস ও সোনালি মুরগির ডিমের দামও বেড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে ডিম।
বাজারের এক ডিম ব্যবসায়ী বলেন, আগে দিনের শেষে ভাঙা ডিম বাড়িতে নিয়ে যেতেন বা খুব কম দামে বিক্রি করতেন। এখন অনেক ক্রেতাই আগে থেকে ভাঙা ডিম রেখে দিতে বলছেন। আগে প্রতিটি ভাঙা ডিম ৫ থেকে ৬ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ভাঙা ডিম কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, সংসারের খরচ সামলাতে এখন বাধ্য হয়েই কম দামের ডিম কিনছেন তারা। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ডিম সাধারণ মানুষের অন্যতম পুষ্টিকর খাদ্য। কিন্তু দাম বাড়তে থাকায় অনেক পরিবার এখন প্রয়োজন অনুযায়ী ডিম কিনতে পারছে না। এতে পুষ্টিহীনতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
