মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

অবশ্যই পরুন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগে করা মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে তাকে ১৯ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল। নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে এক বক্তব্য দেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার নামাজের আগে আলোচনায় ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করেন আমির হামজা। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানির মামলা দায়ের করা হয়।

একটি মামলার বাদী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল জানান, মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন মন্তব্য মানহানিকর হওয়ায় দণ্ডবিধির ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া একই অভিযোগে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে আমির হামজার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার আরেকটি মানহানির মামলা করেন। ওই মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর বাইরে, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের বদলি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় গত ১৩ এপ্রিল আমির হামজাকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তিনি দাবি করেছিলেন বর্তমান জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়ায় বদলি হয়ে আসতে ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। এই বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, বক্তব্যের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ৭ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে, অন্যথায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ