ফারাজ করিম চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মোঃ সাইদুল ইসলাম এবং রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ১৫নং নোয়াজিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সরোয়ার্দীর একটি কথিত কল রেকর্ড ফাঁসের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ফাঁস হওয়া ওই কল রেকর্ডে মোঃ সরোয়ার্দীকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিল সংক্রান্ত একটি মামলার বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ওই মামলায় গোলাম আযমের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এ আর ইউসুফ, যিনি ফারাজ করিম চৌধুরীর নানা।
ঘটনাটি প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতার অভিযোগে ১৯৭৩ সালের ১৮ এপ্রিল তৎকালীন সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গোলাম আযমসহ মোট ৩৮ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করে। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালের ২২ জুন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সরকারের আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন এবং গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেন।
