ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গ্রেপ্তার, আদালতে আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

অবশ্যই পরুন

রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আশরাফুল ইসলাম (ফাহিম) হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুর মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে (ভোর সাড়ে ৪টায়) ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় পরোয়ানা না থাকায় তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন এবং সমালোচনা উঠেছে।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্যে প্রকাশ করা হয়েছে, ড. শিরীন শারমিন ওই মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি এবং হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করতে তার রিমান্ড জরুরি।

আসামিপক্ষের ব্যারিস্টার মামুন বলেন, সাবেক স্পিকার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির আইনজীবী এবং তিনি নিজেই পদত্যাগ করেছিলেন। ঘটনার ১০ মাস পর দায়ের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই।

আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রিমান্ড ও জামিন—উভয় আবেদনই নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানে তাকে নেয়ার সময় উপস্থিত আইনজীবীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং বলেন, ‘শিরীন শারমিন ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন বজায় রাখা জরুরি। সমকালের সহকারী সম্পাদক সাইফুর রহমান তপনের মতে, স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তার গণতান্ত্রিক আশাবাদকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর আইনজীবী ও সমর্থকরা দাবি করছেন, আইনকে নিজের ধারায় চলতে দিয়ে এবং হয়রানিমূলক মামলা পরিহার করে সত্য উদঘাটন করা এখন রাষ্ট্রের বড় চ্যালেঞ্জ।

ন্যাশনিক্স/এএএইচপি 

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ