কমছে যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্ধ,রোহিঙ্গাদের সামলাবে কিভাবে?

অবশ্যই পরুন

জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে ৯৬ মিলিয়ন ডলারের নতুন সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, আগের তুলনায় এ সহায়তার অঙ্ক নাটকীয়ভাবে কমে গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইন বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৯৯ মিলিয়ন ডলারের সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিল। সেই সময়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সম্পন্ন করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এর আগে, ২০২৩ সালের আগস্টে ঢাকায় এসে মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৭৪ মিলিয়ন ডলারের সহায়তার ঘোষণা দেন।

কিন্তু বর্তমান সরকারের সময়ে সহায়তার অঙ্ক এক বছরে ১৯৯ মিলিয়ন থেকে কমে প্রায় এক-তৃতীয়াংশের নিচে নেমে এসেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দাতারা অনুদান দেওয়ার চেয়ে কৌশলগতভাবে নেওয়ার দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।

এদিকে, ইউনুস সরকারের তের মাসে বাংলাদেশে নতুন রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার। এর মধ্যে অফিসিয়ালি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৩৭ জনের। তবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাড়লেও বৈশ্বিক সহায়তা ক্রমেই কমছে। এমনকি জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতিয়ারেসের সাম্প্রতিক ক্যাম্প পরিদর্শনও পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি আনতে পারেনি।

আন্তর্জাতিক মহলে প্রভাব বিস্তারের দাবি থাকলেও বাস্তবে সহায়তার এই পতন অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “কাগজে-কলমে যতই প্রভাবশালী বলা হোক না কেন, বাস্তবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সাফল্য চোখে পড়ছে না।”
এনএসআই এর সাবেক ডেপুটি আমিনুল হক পলাশ এই নিয়ে ফেইসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট লিখেন। সেই পোস্টে তিনি দাবী করেন, “মার্কিন ডিপস্টেটের ইউনুস ক্ষমতার মসনদে থাকা সত্ত্বেও মার্কিন সহায়তার পরিমান এক বছরে ১৯৯ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৬০ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশেরও কম। কারণ হইলো এখন মার্কিনীদের নেয়ার সময়, দেয়ার না।”

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ