অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের প্রহসনের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করায় মা-বোন-সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সকল দেশবাসীর প্রতি- জননেত্রী শেখ হাসিনার ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা
—-
অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূসের আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত একটি সুপরিকল্পিত প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংবিধানের চেতনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আয়োজন করা হয়েছে আওয়ামী লীগবিহীন— ভোটারবিহীন প্রতারণামূলক নির্বাচন।
১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ভোট কেনাবেচায় টাকার ছড়াছড়ি, ব্যালট পেপারে সিল প্রদান এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণের মধ্য দিয়েই এই প্রহসনের সূচনা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে সারাদেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু ভোটকেন্দ্র ছিল সম্পূর্ণ ভোটারশূন্য।
নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত (সাড়ে তিন ঘন্টায়) ভোটগ্রহণের হার ছিল মাত্র ১৪.৯৬%। ভোটগ্রহনের উৎকর্ষ সময়ে জনগণের এই কম অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে আওয়ামী লীগবিহীন এই ভোট জনগণ বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে।
উল্লেখ করা প্রয়োজন, বিগত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লীগের ভোটার, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর লাগাতার হামলা, গ্রেফতার, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে জোরপূর্বক ভোটকেন্দ্রে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত ছিল। তবুও সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তারা এই প্রতারণামূলক নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রই ছিল কার্যত ভোটারশূন্য।
এছাড়া ভোটার তালিকায়, বিশেষ করে ঢাকা শহরে, ভোটারের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি লক্ষ করা গেছে, যা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ ও অবিশ্বাস্য।
এমতাবস্থায়, এই ভোটারবিহীন অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল, খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের পদত্যাগ নিশ্চিতকরণ, সকল রাজবন্দিসহ শিক্ষক-সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীসহ সকল পেশাজীবীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক মুক্তি, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবার দাবি জানাচ্ছি।
