ক্ষমতায় গেলে কেরু অ্যান্ড কোংসহ দেশের সব বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করার অঙ্গীকার করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একসময় কেরুয়া কোম্পানির সুগার মিল দেশের অন্যতম বড় চিনি কল ছিল, কিন্তু এখন তা কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সব বন্ধ মিল, ফ্যাক্টরি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আবার সচল করা হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, চুরি, দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় বন্ধ করা গেলে স্বাভাবিকভাবেই শিল্পকারখানাগুলো নতুন প্রাণ ফিরে পাবে।
শফিকুর রহমান বলেন, শিল্পকারখানা চালু হলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দেশীয় উৎপাদন বাড়বে এবং জাতীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। নতুন শিল্প গড়ে ওঠার মাধ্যমে বেকারত্ব কমে আসবে। জামায়াত একটি উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলে দেশকে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন নয়, বরং তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ আর চাঁদাবাজিতে জড়াতে বাধ্য না হয়। মেহেরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের রায়ে সরকার গঠন হলে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।
নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে মুক্তি আর ‘না’ ভোট মানে পরাধীনতা। তিনি বলেন, সবাই যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করেন, তাহলে দেশ বিজয়ের পথে এগিয়ে যাবে।
ন্যাশনিক্স/এলকে
