শতাধিক হত্যার অভিযোগে কাঠগড়ায় জিয়াউল, আদালতে বললেন ‘নট গিল্টি’

অবশ্যই পরুন

শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ তিনটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করার আদেশ দেন। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে জিয়াউল আহসানকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হলে আদালত তা খারিজ করেন। পরে আদালতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পাঠ করা হয়। অভিযোগ শুনে আদালতের প্রশ্নের জবাবে জিয়াউল আহসান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘নট গিল্টি’।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি বড় অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় তার সরাসরি উপস্থিতিতে তিনজনকে হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার একটি এলাকায় অন্তত ৫০ জনকে হত্যার দায় আনা হয়েছে। তৃতীয় অভিযোগে একই সময়কালে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় তথাকথিত বনদস্যু দমন অভিযানের আড়ালে আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এসব হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে এবং তা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে। অপরদিকে আসামিপক্ষ সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এ মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয়। বিচার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় আলোচিত এই মামলাটি এখন সাক্ষ্যগ্রহণের দিকে যাচ্ছে। 

ন্যাশনিক্স/এলকে

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ