বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর প্রতিটি ভাষণে বাংলার কৃষক ও শ্রমিকদের প্রতি আলাদা সম্মান দেখিয়েছেন। তিনি তাঁদের “দেশের মালিক” বলে সম্বোধন করতেন। তাঁর স্বপ্নের যে ‘বাকশাল’ তার পূর্ণরূপই হলো বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ।
বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, আর এই দেশের মূল অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের ঘাম রক্তের ওপর। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতেও ছিলেন এই কৃষক, শ্রমিক মজুরেরা। আওয়ামী লীগের সবচেয়ে নিবেদিত ও সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারও তারা।
বর্তমানে রাজাকার, আলবদর ও পশ্চিমা পুঁজিবাদী চক্র অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে বাংলার কৃষক শ্রমিকদের রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। তারা “ছাত্র-জনতার আন্দোলন” নামের আড়ালে আসলে জেন জি প্রজন্মের জঙ্গী শিবির ও বিদেশি স্বার্থের প্রক্সি গ্রুপগুলোকে প্রমোট করছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রকৃত মালিক কৃষক ও শ্রমিকদের রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার একটি চতুর নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
লিখে রাখুন বাংলাদেশে আবারও আওয়ামী লীগের পক্ষে একটি ‘মুজিব বসন্ত’ আসবে। এই নবজাগরণের নেতৃত্ব দেবে দেশের প্রান্তিক কৃষক, শ্রমিক ও মজুর শ্রেণি।তারা গ্রাম থেকে শহরে উঠে আসবে, এবং ইউনূসের অর্থে পরিচালিত তথাকথিত “জঙ্গী বাহিনী”র বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও শ্রমিক কৃষকের রাষ্ট্র।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
লিখেছেন: আবুল কালাম আসিফ
সাবেক কর্মী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
