ঢাকা লকডাউনের আগে রাস্তাঘাট ফাঁকা, স্থিতিশীলতার পক্ষে নীরব সমর্থন জনতার

অবশ্যই পরুন

রাজধানীজুড়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মানুষের চলাচল স্বাভাবিক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম দেখা গেছে। সড়কে যানবাহনের সংখ্যাও ছিল অনেক কম।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও বাজার এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। রাতেও রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগের ঢাকা লকডাউন কর্মসূচিকে ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতা বা অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের তল্লাশি চলছে।

নগরীর মিরপুর, সায়েন্সল্যাব, ফার্মগেট, শ্যামলী ও বাড্ডা এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের কিছু খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনায় বড় কোনো হতাহতের খবর নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “বিগত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে কেউ যেন অরাজকতা সৃষ্টি না করতে পারে, সেই আশঙ্কায় মানুষ ঘর থেকে কম বের হচ্ছে।”

ঢাকা মহানগর পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিশ্চিতে মাঠে আছি। কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে।”

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা বলেন, দেশের জনগণ এখন শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়, তাই দলের লকডাউন কর্মসূচিও হবে ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধের’ প্রতীক হিসেবে।

ন‍্যাশনিক্স/একেএ

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ