সরকারি অব্যবস্থাপনাই মাইলস্টোন বিমান দূর্ঘটনার মূল কারণ

অবশ্যই পরুন

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় সরকারের একাধিক দপ্তরের অব্যবস্থাপনা ও তদারকির ঘাটতি বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে।

বুধবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। পরে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে জানান, পাইলটের উড্ডয়ন ত্রুটি থাকলেও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না।

তিনি বলেন, “বিমান নিয়ন্ত্রণের ত্রুটি ছিল, তবে তদন্তে দেখা গেছে স্কুল ভবনটি রাজউকের ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী অনুমোদিত ছিল না। নিরাপত্তা মানদণ্ড মানা হয়নি, এবং জরুরি নির্গমন পথও যথেষ্ট ছিল না।”

তদন্ত কমিটি ১৫০ জনের সাক্ষ্য ও ১৬৮টি তথ্য বিশ্লেষণ করে মোট ৩৩টি সুপারিশ দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম সুপারিশ হলো,বিমান বাহিনীর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ঢাকা শহরের বাইরে স্থানান্তর করা এবং বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিমানবন্দর এলাকায় স্কুল, হাসপাতাল বা শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণে সরকারের অনুমোদন ও নজরদারি ঘাটতির কারণেই ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে প্রশিক্ষণ বিমানের বিধ্বস্তে ৩৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। দেশের ইতিহাসে এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ