চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার দুই তরুণ, মেহেদী ও মুন্না, গত পরশু একটি মিছিলে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। হঠাৎ এই ঘটনায় তাঁদের পরিবারে নেমে আসে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার ছায়া।
গ্রেপ্তারের পর থেকেই দুই পরিবারের সদস্যরা ছেলেদের খোঁজখবর রাখতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মেহেদীর মা বলেন, “আমার ছেলেটা মিছিলে ছিল, ওই সময় পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। প্রথমে খুব ভয় লাগছিল, কী হবে বুঝতেছিলাম না। কিন্তু পরে দেখি আওয়ামী লীগের ভাইয়েরা কত সাহায্য করছে, খোঁজ নিচ্ছে, পাশে আছে। তাই এখন মনে হয়, ছেলেটা ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের কয়েকজন স্থানীয় নেতা ঘটনাটি জানার পর থেকেই দুই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁরা শুধু মানসিক সান্ত্বনাই দেননি, বরং আর্থিকভাবেও পাশে দাঁড়িয়েছেন। মেহেদী ও মুন্নার জামিন, আইনি সহায়তা ও আদালতের অন্যান্য খরচ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারাই বহন করেছেন।
এর ফলে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে দুই পরিবারে। স্থানীয়দের ভাষায়, “এই ধরনের সহায়তা দলীয় নেতাদের মানবিক চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।”
একজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী বলেন, “আমরা আমাদের ছেলেমানুষদের একা ছেড়ে দেই না। তারা আদর্শের পথে আছে, তাই তাদের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব।”
এদিকে, এলাকায় এখন আর আগের মতো ভয় বা অনিশ্চয়তার পরিবেশ নেই। দুই পরিবারের সদস্যরাও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন। তাঁরা আশা করছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় খুব শিগগিরই তাঁদের সন্তানরা মুক্ত হয়ে ঘরে ফিরবেন।
ন্যাশনিক্স/এজে
