জিয়াউর রহমানের শাসনামলেই সর্বপ্রথম মদের লাইসেন্স ও জুয়ার বৈধতা

অবশ্যই পরুন

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময় বাংলাদেশে মদ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিভিন্ন গবেষণা ও ঐতিহাসিক সূত্রে বলা হয়েছে, ১৯৭২ সালে দেশে মদের দোকান বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

এরপর জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দেশে মদ বিক্রি ও পানের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের ব্যবস্থা আবার চালু হওয়ার কথা বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংসদীয় আলোচনায় উঠে এসেছে। ২০২১ সালের জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম অভিযোগ করেন, বঙ্গবন্ধু মদ ও জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করেছিলেন এবং জিয়াউর রহমান পরবর্তীতে তা আবার চালু করেন। একই সংসদীয় আলোচনায় বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদও জিয়াউর রহমানের সময়ে মদের লাইসেন্স দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

সরকারি তথ্যেও দেখা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে এক্সাইজ অ্যান্ড ট্যাক্সেশন ডিপার্টমেন্ট পুনর্গঠন করে ‘নারকটিকস অ্যান্ড লিকার পরিদপ্তর’ করা হয় এবং এটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে ন্যস্ত ছিল। একই বছর সরকারি গেজেটে একাধিক এক্সাইজ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।

এ সময়ের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিয়াউর রহমানের শাসনামলে মদের বার ও মদ বিক্রির জন্য লাইসেন্স দেওয়ার প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু করা হয়। একটি প্রতিবেদনে ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বরের একটি সামরিক ফরমানের উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে যে, ওই আদেশের মাধ্যমে আগের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে মদের বারসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের লাইসেন্স দেওয়ার পথ তৈরি করা হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে মদ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পর জিয়াউর রহমানের শাসনামলে মদ বিক্রি ও পানের জন্য লাইসেন্সভিত্তিক অনুমতির ব্যবস্থা পুনরায় কার্যকর হয় এমন দাবি সংসদীয় বক্তব্য, সরকারি প্রশাসনিক নথি এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রতিবেদনে পাওয়া যায়।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ