শেখ হাসিনা: সংগ্রাম, অর্জন ও ইতিহাসের অনিবার্য উত্তরাধিকার

অবশ্যই পরুন

একুশ বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন, ৫৪টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা এবং রাজপথে আজীবন সংগ্রামের ইতিহাস বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত একজন নেত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এ এক অনন্য অধ্যায়।

শেখ হাসিনা দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকা নারী সরকারপ্রধানদের একজন। এ প্রসঙ্গে Arab News লিখেছিল, “Bangladesh dynamic leap: Sheikh Hasina’s landmark fifth term.”

TIME ম্যাগাজিনের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় শেখ হাসিনা ৩০তম স্থান অর্জন করেন। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার কারণে ব্রিটিশ গণমাধ্যম তাঁকে “Mother of Humanity” বা ‘মানবতার জননী’ হিসেবে অভিহিত করে। বাংলাদেশে প্রায় ১৪ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

শেখ হাসিনার শাসনামল সম্পর্কে বিশিষ্ট কলামিস্ট আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী বলেছিলেন, “আমি বিশ্বাস করি, একদিন বাংলার ইতিহাসে শেখ হাসিনার সময়কাল অতীতের হোসেনশাহী আমলের মতো একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হবে।”

বিশ্বখ্যাত মানবাধিকারকর্মী ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড ও’ব্রায়েন তাঁর Women Presidents and Prime Ministers গ্রন্থে শেখ হাসিনাকে ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টি করা সাতজন নারী রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানের একজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাঁর সংগ্রামী জীবনকে বিশ্বের মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন।

২০১১ সালে বিশ্বের সেরা ও প্রভাবশালী নারীদের তালিকায় শেখ হাসিনা সপ্তম স্থান অর্জন করেন। মর্যাদাপূর্ণ Foreign Affairs ম্যাগাজিনের বিশ্বের ১০০ জন শীর্ষস্থানীয় চিন্তাবিদের তালিকায় তিনি ১৩তম স্থান লাভ করেন। People’s and Politics-এর একটি প্রতিবেদনে ১৭৩টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের মধ্যে শেখ হাসিনাকে তৃতীয় সৎ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের ডিকিন ইউনিভার্সিটির Centre for Human Leadership পরিচালিত এক জরিপে পোপ ফ্রান্সিস ও বিল গেটসকে ছাড়িয়ে শেখ হাসিনাকে “Champion of Humanity” হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এসব স্বীকৃতি একজন রাষ্ট্রনায়কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম:
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনের সময়কাল বাদ দিলেও ১৯৬৬ সাল থেকে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রায় চার দশকের ইতিহাস রয়েছে শেখ হাসিনার। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন থেকে শুরু করে তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছেন।

দীর্ঘ ২১ বছর পর তিনি তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেন। প্রায় ৪০ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের লক্ষ্যে নুরেমবার্গ ট্রায়ালের আদলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করা হয়। জিয়া, এরশাদ ও মইন ইউ আহমেদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। সামরিক শাসনের অবসানের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তাঁর ছয় বছরের দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন। শেখ হাসিনার নির্বাসিত জীবন নিয়ে A Daughter’s Tale (Hasina: A Daughter’s Tale) নামে একটি চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতির নানা পর্যায়ে তিনি প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থেকেছেন। বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে তাঁকে হাঁটুসমান পানির মধ্য দিয়ে দুর্গত মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিতে দেখা গেছে। তাঁর ওপর ২১টি হত্যাচেষ্টা হয়েছে বলেও তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিবরণে উল্লেখ করা হয়। বিশ্বের আর কতজন রাষ্ট্রনেতার রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাসে এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে এ প্রশ্নও আলোচিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা:
৮০ বছরের জীবনে শেখ হাসিনা উল্লেখযোগ্য ৫৪টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রিও পেয়েছেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি ও ব্রিজপোর্ট ইউনিভার্সিটি, জাপানের ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি, স্কটল্যান্ডের অ্যাবারটে ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বেলজিয়ামের ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি, রাশিয়ার Peoples’ Friendship University এবং ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য।

এ ধরনের সম্মানসূচক ডিগ্রি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির মর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

শেখ হাসিনা ৪৮ বছর বয়সে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে তিনি দলটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

শান্তি, খাদ্যনিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মাত্র এক বছরের মধ্যেই, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর, তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ দুই দশকের সংঘাতের অবসানের পথ তৈরি হয়।

এর আগে জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকারও শান্তিচুক্তির উদ্যোগ নিয়েছিল তবে তারা ব্যর্থ হয়; শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মধ্যেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চে নিয়মিত খেলার সুযোগ পায়। ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা অর্জন করে। বর্তমানে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ঘিরে যে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস রয়েছে, তার পেছনে এসব অর্জনকে শেখ হাসিনার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে এমন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার সরকারের ভূমিকা রয়েছে। এ জন্য তিনি Ceres Medal লাভ করেন।

একই বছর, ১৯৯৯ সালে, বাঙালির ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত স্মৃতিবিজড়িত ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রেও শেখ হাসিনার সরকারের ভূমিকা রয়েছে।

শেখ হাসিনার এসব অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্য কোনো রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান একই পর্যায়ে দাঁড়াতে পারেন নি।

শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গ:
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়াত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার পর শেখ হাসিনা Tagore Peace Prize লাভ করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি UNESCO-এর Houphouët-Boigny Peace Prize লাভ করেন। ২০১৪ সালে UNESCO তাঁকে “Tree of Peace” উপাধিতে ভূষিত করে।

বিএনপি ও জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও শেখ হাসিনা ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে অবস্থান নিয়েছেন।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস ২০১৬ সালে FARC বিদ্রোহীদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পাদনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু প্রায় তিন দশকের সংঘাতের পর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে একই ধরনের একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসানে ভূমিকা রাখার পরও শেখ হাসিনা কেন নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি এ বিষয়ে প্রশ্ন রয়ে যায়।

শেখ হাসিনা কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের চেয়ে ১৯ বছর আগে এ ধরনের শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। এ কারণে নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে বিষয়টি একটি প্রশ্ন হিসেবে থেকে যাবে।

২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার মুহাম্মদ ইউনূসকে দেওয়া হয়। এ নিয়েও তীব্র সমালোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ইতিহাসে বিতর্কিত ব্যক্তিরাও কখনো কখনো নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন, কিন্তু শেখ হাসিনা নোবেল পুরস্কার পাননি।

তবে নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়া শেখ হাসিনার জন্য একটি ইতিবাচক বিষয় হিসেবে ধরে নিবো। এর মাধ্যমে তাঁর সততা, নীতি, আদর্শ ও সাহস আরও উজ্জ্বল হয়েছে।

শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবার:
শেখ হাসিনার সমালোচনা করা সহজ হলেও তাঁর মতো একজন রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তিনি শুধু একজন সফল রাষ্ট্রনায়কই নয়, একজন মা হিসেবেও সফল।

তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক ডিগ্রি রয়েছে।

সজীব ওয়াজেদ জয় যুক্তরাষ্ট্রের University of Texas at Arlington থেকে Computer Science and Engineering বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি Harvard University থেকে Public Administration বিষয়ে ডিগ্রি এবং Bangalore University থেকেও একটি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল যুক্তরাষ্ট্রের Barry University থেকে ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) আঞ্চলিক পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন একজন খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী। তিনি Fundamentals of Thermodynamics এবং Fundamentals of Electromagnetics নামে ইংরেজি গ্রন্থের লেখক। তিনি যুক্তরাজ্যের Durham University থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। বাংলাদেশে তাঁর নামে একটি গবেষণাকেন্দ্রও রয়েছে।

বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে শেখ হাসিনার পরিবারের মতো শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার সমন্বয়সম্পন্ন আর কোনো পরিবার আছে কি?

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সমকক্ষ হওয়াকে হিমালয় জয় করার সঙ্গে তুলনা হতে পারে। বিশ্বপরিসরে শেখ হাসিনার পরিচয়ের জন্য “বঙ্গবন্ধুর কন্যা” পরিচয়টিই যথেষ্ট।

বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার:
শেখ হাসিনার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে ঐতিহাসিক নেতৃত্ব দেন। তাঁর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ UNESCO-এর Memory of the World International Register-এ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে জাতির পিতা হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়; ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

একজন কন্যার জন্য এর চেয়ে বড় সম্মান আর কী হতে পারে যার পিতা একটি জাতির স্বাধীনতার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। সেই উত্তরাধিকারের কারণে শেখ হাসিনাকে সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী।

ইতিহাসে শেখ হাসিনা:
এক হাজার বছর পরও বাংলাদেশ রাষ্ট্র শেখ হাসিনাকে নিয়ে গবেষণা করবে। বাংলাদেশের স্কুলশিক্ষার্থীরা শেখ হাসিনার ইতিহাস, রাজনৈতিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অর্জন সম্পর্কে পড়বে। বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাও বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অংশ হয়ে থাকবেন।

এ কারণেই তাঁকে “Phoenix of Politics” বা ‘রাজনীতির ফিনিক্স’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

যারা শেখ হাসিনার জানাজা কোথায় হবে, সেখানে কত মানুষ উপস্থিত হবে কিংবা তিনি কখনো বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন কি না এসব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের উদ্দেশে বলতে চাই,

“শেখ হাসিনা পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, তিনি সবসময়ই গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় থাকবেন।”

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক শেখ হাসিনার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্মান দেখিয়েছেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও শেখ হাসিনার অন্যতম শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে ধরা হয়।

সম্মানিত ব্যক্তির প্রতি সম্মানের কখনো ঘাটতি হয় না এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

কারও প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাকে শুধু তাঁর জানাজায় কত মানুষ উপস্থিত হলো তার ভিত্তিতে বিচার করা যায় না।

শেখ হাসিনার যোগ্যতা ও রাজনৈতিক অর্জন তাঁর শারীরিক উচ্চতার তুলনায় বহুগুণ বেশি। তাঁর কর্ম ও অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশে-বিদেশে সম্মান অর্জন করেছেন।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির লোদি গার্ডেনে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের উচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে শেখ হাসিনাকে সম্মান জানানোর আয়োজন করা হয়েছিল।

“Respect is not given, it’s earned.”

অর্থাৎ—

“সম্মান কেউ কাউকে উপহার দেয় না; সম্মান অর্জন করে নিতে হয়।”

সংকলন ও বঙ্গানুবাদে: মো: দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ