বাংলাদেশে পুলিশে নতুন করে ৪ হাজার নিরস্ত্র সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই), ৪০০ সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। মোট ১৪ হাজার ৪০০ পদ সৃষ্টির এই উদ্যোগের কথা গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
যোগাযোগমাধ্যমে একটি অংশ থেকে অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পুলিশে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বিভিন্ন মহলে এমন দাবিও করা হচ্ছে যে, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে পুলিশের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য তৎপরতা চলছে।
এদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মো. আশিকুর রহমানের একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। পোস্টে তিনি ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে পুলিশের বিভিন্ন পদের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের প্রতি দলীয় নেতাকর্মীদের ‘যোগ্য জায়গায়’ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।
তার ওই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সমালোচকদের কেউ কেউ এটিকে সরকারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাদের বক্তব্য, পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে যোগ্যতা, মেধা, স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
