মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের প্রভাবে চট্টগ্রামজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট। বাসাবাড়ি ও শিল্পকারখানার পাশাপাশি এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস পাচ্ছেন না চালকেরা, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও কর্মজীবী মানুষেরা।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে নগরের কদমতলী, বাকলিয়া, মইজ্জারটেকসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাস নেওয়ার জন্য শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কড়া রোদে দাঁড়িয়ে থেকেও গ্যাস মিলছে না।
চট্টগ্রাম-বদরখালী রোডের সিএনজি অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ মিনহাজুল ইসলাম জানান, “আগে ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে গ্যাস পেতাম। আজ দুই ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, কখন পাবো ঠিক নেই। আবার সন্ধ্যা ৬টা বাজলেই গ্যাস বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে।”
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যায়। কেজিডিসিএলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিস্ট্রিবিউশন) রফিক খান জানান, ছুটির দিন হওয়ায় চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে শনিবার রাত থেকে চাপ অস্বাভাবিক কমে গেছে।
নগরজুড়ে এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করায় শুধু সিএনজিচালিত পরিবহনই নয়, রান্নার গ্যাস না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন চট্টগ্রামের আবাসিক এলাকার বাসিন্দারাও। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেজিডিসিএল।
