তুরাগ ট্রাজেডি নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের নামে ছড়ানো হচ্ছে ভুয়া ফটোকার্ড

অবশ্যই পরুন

রাজধানীর তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলে নৃশংস হামলার ঘটনার নেপথ্য কাহিনী ক্রমশ উন্মোচিত হচ্ছে। এটি কোনো আকস্মিক মব জাস্টিস বা সাধারণ রাজনৈতিক সংঘর্ষ ছিল না, বরং অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার একটি ‘কিলিং মিশন’ ছিল।

গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে এক ভয়ঙ্কর তথ্য নিখোঁজ ৭ নেতাকর্মীকেই সম্পূর্ণ গুম ও হত্যার চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছিলেন সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা এস এম জাহাঙ্গীর।ইতিমধ্যেই তুরাগ নদী থেকে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি ৩ জনের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে এখন এস এম জাহাঙ্গীরের নাম অবর্তিত হচ্ছে।

তুরাগ ট্রাজেডিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের দাবি, ছবি ও ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের নামে একটি বক্তব্যসংবলিত ফটোকার্ডও ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে।

তবে নওফেলের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা যায়, প্রচারিত ওই বক্তব্যটি তার নয়। তিনি এমন কোনো মন্তব্য করেননি বলে জানিয়েছেন। ফলে ফটোকার্ডটি ভুয়া বলে দাবি উঠেছে।

এদিকে তুরাগের ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, “ক্র্যাক প্লাটুন, সেক্টর-০২” নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকেও এ ধরনের ভুয়া তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

আরও নিবন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ